Posts

ওজন কমাতে তোকমা বীজ এর উপকারিত।

Image
তোকমার বৈঞ্জানিক নাম HYPTIS SUAVEOLENS, একে বিলেতি তুলসী বলে ডাকা হয়।স্বাস্থ্য রক্ষায় মূলত ব্যবহার করা হয় তোকমা গাছের বীজ।এই  বীজ দিয়ে শরবত সহ নানান উপায়ে খাওয়া হয় ভেষজ গুনাবলি পেতে,গুড়া করে ব্যবহার করা যায় রূপচর্চাতে। বিশেষ করে ওজন কমাতে দারুন উপকারী  তোকমা গাছের বীজ।এই বীজ দ্বারা তৈরি শরবত বিপাক ক্রিয়ার হার কমায়,আতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে,রক্তে ভালো কলেস্টেরল তৈরি করে।আর তাই বাড়তি ওজন হাটিয়ে শরীরকে সুস্থ আর্কষনীয় রাখতে তোকমা অন্যতম কার্যকারী ভেষজ উপাদান। যে ভাবে পান করবেন তোকমা  বীজের শরবতঃ- এক  টেবিল চামুচ তোকমার বীজ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ছোট ছোট কাল দানার বীজগুলো সারারাত ভিজে ফুলে উঠবে।সকালে এই পানি  ফুলে ওঠা তোকমা বীজ সহ পান করে নিন খালি পেটে। সাথে ১চামুচ  খাঁটি মধু যোগ করতে পারেন।  তোকমার এই শরবত সারাদিন আপনার মেটাবলিজম বা বিপাক্রিয়ার হার বেশি রাখবে।ফলে খাবার ভাল ভাবে  হজম হবে বাড়তি ক্যালোরী জমা থাকবে না। এছাড়াও অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে  বেশি খেয়ে ফেলা...

হার্টের চিকিৎসা |HEART DISEASE BENGALI | HEART PROBLEM IN BANGLA

Image

চোখে অঞ্জনি, যেভাবে মিলবে সমাধান

Image
              চোখে অঞ্জনি, যেভাবে মিলবে সমাধান চোখ আমাদের অনেক  মূল্যবান    সম্পদ।চোখ না থাকলে আমরা এই অপরূপ সুন্দর পৃথিবীর সূন্দোর্যো দেখতে পেতাম না। চোখ ব্যাতিত আমরা আচল। তই চোখের প্রতি বরাবরি আমরা আনেক যত্নবান হয়ে থাকি। কিন্তু চোখে  আনেক সময়  ছোট বড় রোগ হয়ে থাকে। এরমধ্যে একটি রোগ হলো অঞ্জনি। অঞ্জনি হলে চোখ লাল হয়ে যায়।সেই সাথে ফুলে ওঠে চোখের পাতা।চোখের পলক ফেলতে ও রোদে তাকাতেও সমস্যা দেখা দেয়। এই অঞ্জনি থেকে আঠালো পদার্থ বের হওয়াসহ নানা রকম প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।  অঞ্জনি হলে আমদের যা যা করণিয় তা নিচে আলোচনা করা হলঃ আলুর ব্যবহারঃ আলু ব্যবহার করে অঞ্জনি সমস্যায় কিছুটা শান্তি মিলতে পারে।আলুর খোসা ছাড়িয়ে গোল করে কেটে আক্রান্ত চোখে লাগিয়ে রাখুন। এর ফলে চোখের ফোলা কমে যাবে এবং আরামদায়ক মনে হবে। চোখে অঞ্জনি, যেভাবে মিলবে সমাধান সবুজ চায়ের ব্যবহারঃ হালকা কুসুম গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখুন সবুজ টি-ব্যাগ।পরে তা চোখের আক্রান্ত স্থানে ধোরলে অঞ্জনির ভেতরের পদার্থ নরম ও তরল হয়ে...

পেটের গ্যাস থেকে মুক্তির উপায়, গ্যাস দূর করার উপায় Gastric problem solution

Image
Gastric problem solution in bengali, Intestinal gas in bengali, Stomach pain in bengali, পেটের গ্যাস থেকে মুক্তির উপায়, গ্যাস দূর করার উপায়, এই ধরণের বিভিন্ন সার্চ আমরা অনেকেই করে থাকি। Bengal ayur এর এই ভিডিওটি তাঁদেরই জন্য।

নভেল করনা ভাইরাস কি?করোনা থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

Image
নভেল করনা ভাইরাস কি?করোনা থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ  নভেল করোনাভাইরাস হলো কোরনা ভাইরাসের এক নতুন প্রজাতি। নভেল করোনাভাইরাসের মাধ্যমে সৃষ্ট এই রোগটি প্রথম চীনের উহানে চিহ্নিত হয়েছি। তখন থেকেই রোগটির নাম করা হয়েছিল করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯।করোনা থেকে "কো",ভাইরাস থেকে ভি এবং ডিজিজ বা রোগ থেকে ডি নিয়ে এর সংক্ষিপ্ত নাম করণ করা হয়। আগে এই রোগকে ২০১৯    নভেল করোনাভাইরাস বা ২০১৯- এনসিওভি বলা হতো। কোভিড ১৯ হলো একটি নতুন ভাইরাস যা অতীতের সার্সা ভাইরাস এবং কয়েক ধরনের সাধারন সর্দি জ্বর জাতীয় ভাইরাসের পরিবারভুক্ত।  করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট কোভিড-১৯ রোগকে এখন বৈশ্বিক মহামারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। নভেল করনা ভাইরাস কি?করোনা থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ  মানুষ থেকে মানুষের দেহে এই ভাইরাস কিভাবে ছড়ায় সে বিষয় এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারননি স্বাস্থ্য বিশেষঙ্গরা।তবে সাধারন কিছু সাবধানতার অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। নভেল করনা ভাইরাস কি?করোনা থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ  ১.গনপরিবহন গণপরিবহন এড়িয়ে চলা ক...

জেনে নিন হার্ট সুস্থ রাখার ৫ উপায়?

Image
জেনে নিন হার্ট সুস্থ রাখার ৫ উপায়? বিশ্বের  এক নম্নর মরনব্যাধি হৃদরোগ,কোন রকম পূর্বাভাস ছাড়াই হৃদরোগ যেকোনো সময় কেড়ে নেয় জীবন। সারাবিশ্বে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর প্রায় ২ কোটিবলোক মৃত্যুবরণ করে। তার বেশিরভাগ নিম্ন মধ্যবিত্ত।একবার হার্ট এটাকে আক্রান্ত হলে প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ রোগী হাসপাতাল চিকিৎসা নেওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়।  মানুষের শরীরের  বিভিন্ন অঙ্গ  প্রত্যঙ্গের মধ্যে হার্ট বা হৃদপিণ্ড একটি জরুরি অঙ্গ।হার্টের  কর্মক্ষমতার ওপর বেঁচে থাকা শক্তি,শারীরিক কর্মক্ষমতা,আবেগ আনুভূতি  বলতে গেলে জীবনের সবকিছুই নির্ভরশীল।হার্টের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে পুষ্টি এবং শক্তি সঞ্চালিত হয়। আক্সিজেন সরবারহ হয় এবং কার্বনডাই-অক্সাইড নির্গামন হয়। জেনে নিন হার্ট সুস্থ রাখার ৫ উপায়? আন্য যেকোন অঙ্গ অকেজো বা নষ্ট হয়ে গেলে শুধু ওই অঙ্গের  কার্যক্ষমতা নষ্ট বা বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ মারা যায়।তাই হার্ট ভাল থাকলে একজন মানুষ ভালো থাকবে হার্ট কার্যক্ষম থাকলে মানুষটিরও শক্তিশালী কার্যক্ষ...

সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস আছে ?

Image
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের জন্য রক্তের গ্লূকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস আছে ? আপনার রক্তের গ্লূকোজের নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করার (আঙুলে ছিদ্র করে পরীক্ষার মাধ্যমে) মাধ্যমে দেখা যায় যে জীবনযাত্রার পরিবর্তনগুলি কীভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে প্রভাবিত করে এবং আপনাকে আপনার ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত লোকেদের হৃৎপিন্ড, কিডনি ও চোখের রোগ, স্নায়ুর ক্ষতি, স্ট্রোক ও দুর্বল রক্ত সংবহনের মত অনেকগুলি স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস রোগটি এখন আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ৪০ পেরুলেই যে কারো এই রোগে পেয়ে বসতে পারে। তাই নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। রক্তে চিনির মাত্রা পরিমাপ করে ডায়াবেটিস শনাক্ত করা যায়। ল্যাবরেটরিতে রক্ত পরীক্ষা করে ও ঘরে বসে গ্লুকোমিটার ব্যবহার করে নির্ণয় করা যায়। ডায়াবেটিস নেই এমন লোকেদের ক্ষেত্রে রক্তে গ্লূকোজের স্বাভাবিক সীমাগুলি হল: আহারের আগে 3.5 - 5.5 mmol/l এবং আহারের দু'ঘণ্টা পরে 8 mmol/l; রক্ত ...